Skip to main content

পেটের বাঁ পাশে ব্যথার ১৩ কারণ

 যেসব কারণে পেটের বাঁ​ পাশে ব্যথা হয়


ডাইভার্টিকিউলিটিস: আমেরিকান গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিক্যাল সোসাইটি ডাইভার্টিকিউলিটিসকে কোলনের প্রাচীরের পকেট বা ডাইভার্টিকিউলার প্রদাহ বলে সংজ্ঞায়িত করেছে। ডাক্তার লিগরেস্টি বলেন, ‘পেটের বাঁ পাশের নিম্নভাগে ব্যথার একটি সর্বাধিক কমন কারণ হচ্ছে ডাইভার্টিকিউলিটিস এবং তা ক্লাসিক্যালি এর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত জ্বর, মলত্যাগের অভ্যাসের পরিবর্তন, মাঝেমাঝে মলের সঙ্গে রক্ত বের হওয়া, ঠান্ডা শরীর এবং অন্যান্য উপসর্গ নিয়ে হাজির হয়।’ মারাত্মক পরিস্থিতিতে ডাইভার্টিকিউলিটিস রক্তপাত, ছিঁড়ে যাওয়া অথবা ব্লকেজের দিকে ধাবিত করতে পারে। এটি নির্ণয়ের জন্য শারীরিক পরীক্ষা এবং ইমেজিং টেস্ট প্রয়োজন হবে।


কোলাইটিস: ডাইভার্টিকিউলিটিসের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ব্যথা প্রায়ক্ষেত্রে হঠাৎ করে আবির্ভুত হলেও কোলাইটিস বা কোলনের প্রদাহের উপসর্গ প্রকাশ পায় অধিক ধীরে ধীরে। ডা. লিগরেস্টি বলেন, ‘এছাড়া কোলাইটিস অন্ত্রের কার্যক্রমের পরিবর্তন যেমন- ডায়রিয়া বা রক্তময় ডায়রিয়া নিয়ে হাজির হয়, যেখানে ডাইভারটিকিউলাইটিসের ক্ষেত্রে সাধারণত তা হয় না।’ ইনফেকশন (যেমন- ফুড পয়জনিং), অপর্যাপ্ত রক্ত সরবরাহ এবং অটোইমিউন প্রতিক্রিয়ার কারণে প্রায়ক্ষেত্রে কোলাইটিস বা মলাশয়ের প্রদাহ হয়ে থাকে। কোলাইটিসের প্রকারভেদও আছে, যেমন- ক্রোন’স ডিজিজ এবং আলসারেটিভ কোলাইটিস।


গ্যাস্ট্রাইটিস: পাকস্থলীর স্তরে প্রদাহের সঙ্গে গ্যাস্ট্রাইটিস শব্দটি জড়িত। কোনো ইনফেকশন, নিয়মিত ব্যথা উপশমকারী ওষুধ সেবন অথবা অত্যধিক অ্যালকোহল পানের কারণে এ প্রদাহ হতে পারে। গ্যাস্ট্রিটাইটিসের উপসর্গ হঠাৎ করে প্রকাশ পেতে পারে (অ্যাকিউ গ্যাস্ট্রাইটিসের ক্ষেত্রে) অথবা ধীরে ধীরে প্রকাশ পেতে পারে (ক্রনিক গ্যাস্ট্রাইটিসের ক্ষেত্রে) এবং কিছু ক্ষেত্রে গ্যাস্ট্রাইটিস আলসারের দিকে চালিত করতে পারে। ডা. লিগরেস্টি বলেন, ‘পেটের বাঁ পাশের উপরিভাগে ব্যথা হওয়ার সর্বাধিক কমন কারণসমূহের দুইটি হচ্ছে- গ্যাস্ট্রাইটিস এবং আলসার এবং এ ব্যথা সাধারণ কামড় খাওয়া প্রকৃতির হয়ে থাকে যা রাতে বেড়ে যেতে পারে ও খাওয়ার পর কমে যায়।’ এসব দশার সঙ্গে প্রায়ক্ষেত্রে বমিবমি ভাব ও বমি, ওজন হ্রাস এবং কালো মল সম্পর্কযুক্ত হতে পারে। প্রাথমিক পর্যায়ে গ্যাস্ট্রাইটিস নির্ণয় করতে পারলে খুব কার্যকরী চিকিৎসা করা যায়।


শিনগ্লেস: আপনার চিকেনপক্স বা জলবসন্ত হয়ে থাকলে ভেরিসেলা-জোস্টার ভাইরাস শিনগ্লেস হিসেবে সক্রিয় হওয়ার পূর্বে কয়েক দশক ধরে সুপ্ত অবস্থায় থাকতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল শিঙ্গেলস ফাউন্ডেশন অনুসারে, ‘লোকজন প্রায়ক্ষেত্রে এ রোগের উপসর্গকে অন্য রোগের মনে করে ভুল করে।’ ডা. লিগরেস্টিক বলেন, ‘যদি আপনার পেটের বাঁ পাশে ব্যথার সঙ্গে ত্বকের উপসর্গ যেমন- র‍্যাশ, অসাড়তা অথবা জ্বালাপোড়া হয়, তাহলে আপনার শিনগ্লেস হয়েছে কিনা তা নির্ণয়ের জন্য আপনার চিকিৎসক টেস্ট করবেন।’


অ্যাবডোমিনাল অ্যাওরটিক অ্যানিউরিজম: ব্লু শিল্ড অব মিশিগানের ব্লু ক্রসের ফিজিশিয়ান কনসালট্যান্ট জিনা লাইনেম বলেন, ‘অ্যাবডোমিনাল অ্যাওরটিক অ্যানিউরিজম বা মহাধমনীয় অ্যানিউরিজম একটি ভীতিপ্রদ রোগ, কারণ মহাধমনী হলো একটি প্রধান রক্তনালী যা শরীরে রক্ত সরবরাহ করে।’ অ্যাবডোমিনাল অ্যাওরটিক অ্যানিউরিজম হচ্ছে মহাধমনীর কোনো প্রাচীর স্ফীত হওয়া এবং এটি প্রায়ক্ষেত্রে কোনো উপসর্গ ব্যতীত ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেতে থাকে। এটি ফেটে গেলে জীবন সংশয় হতে পারে। ডা. লাইনেম বলেন, ‘অ্যাবডোমিনাল অ্যাওরটিক অ্যানিউরিজম বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে কিছু লোক নাভির কাছাকাছি স্পন্দন অথবা পেটে বা পেটের পাশে অনবরত ব্যথা কিংবা পিঠে ব্যথা অনুভব করতে পারে।’ ডা. লাইনেম বলেন, ‘যদি আপনার এসব উপসর্গের যেকোনো একটি থাকে, তাহলে অবিলম্বে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।’


বদহজম: বদহজম হলে পেটে অস্বস্তি অনুভূত হয়, খাওয়ার পর পেট ভরা মনে হয়, ব্লোটিং বা পেটফাঁপা হয়, অন্ত্রে জ্বালাপোড়ার অনুভূতি হয় এবং ঢেকুর ওঠে। ডা. লাইনেম বলেন, ‘বদহজমকে ডিসপেপসিয়াও বলে যা ডায়েট, উদ্বিগ্নতা, ওষুধের প্রতি প্রতিক্রিয়া, প্রেগন্যান্সি অথবা রোগের কারণে হতে পারে।’ তিনি আরো বলেন, ‘বদহজমের চিকিৎসা করতে অনেক রকম ওভার-দ্য-কাউন্টার ওষুধ (যা কিনতে প্রেসক্রিপশন লাগে না) পাওয়া যায়, কিন্তু প্রায়ক্ষেত্রে আপনার ডায়েট মূল্যায়ন ও পরিবর্তন করা হচ্ছে সর্বাধিক কার্যকরী উপায়।’


ওভারিয়ান সিস্ট: ডিম্বাশয়ের অবস্থান হলো পেটের নিম্নভাগে জরায়ুর উভয়পাশে। কোনো কোনো নারীর ডিম্বাশয়ে ওভারিয়ান সিস্ট বা তরলপূর্ণ থলে বিকশিত হয়ে থাকে, কিন্তু এসব সিস্ট সাধারণত ব্যথাবিহীন এবং নিজে নিজে চলে যায়। ডা. লাইনেম বলেন, ‘অনেক নারী বুঝতেই পারে না যে তাদের মধ্যে কোনো ওভারিয়ান সিস্ট রয়েছে। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে তাদের পেলভিক পেইন বা শ্রোণীতে ব্যথা হতে পারে।’ যদি ব্যথা তীব্র হয় এবং সেই সঙ্গে জ্বর, মাথা ঘোরা কিংবা দ্রুত শ্বাসক্রিয়া চলে, তাহলে তা ফেটে যাওয়া সিস্ট বা ওভারিয়ান টরশন (ডিম্বাশয়ের মোচড় খাওয়া) নির্দেশ করতে পারে এবং উভয়ক্ষেত্রে অবিলম্বে চিকিৎসা প্রয়োজন হবে। ওভারিয়ান সিস্ট প্রতিরোধের উপায় না থাকলেও নিয়মিত পেলভিক পরীক্ষার সময় অথবা আল্ট্রাসাউন্ডের মাধ্যমে এটি নির্ণীত হতে পারে।


কিডনিতে পাথর: ডা. লাইনেম বলেন, ‘কিডনিতে কঠিন খনিজ পদার্থ পুঞ্জীভূত হয়ে পাথর সৃষ্টি হয়।’ কিডনি পাথরের লক্ষণ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘পেট ব্যথা ছাড়াও আপনি প্রস্রাবসংক্রান্ত উপসর্গ লক্ষ্য করতে পারেন, যেমন- মূত্রত্যাগে অস্বস্তি, বিবর্ণ প্রস্রাব, প্রস্রাবের বাজে গন্ধ অথবা ঘনঘন মূত্রাশয় খালি করার প্রয়োজন দেখা দেওয়া।’ যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল কিডনি ফাউন্ডেশন অনুসারে, পর্যাপ্ত পানি পান না করা, অত্যধিক বা অল্প ব্যায়াম, স্থূলতা, ওজন হ্রাসের সার্জারি অথবা অত্যধিক লবণ বা চিনি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার কারণে কিডনিতে পাথর হয়। ডা. লাইনেম বলেন, ‘কিডনি পাথরের ব্যথা প্রতিরোধ করা এবং দূর করার সর্বোত্তম পন্থা হচ্ছে পর্যাপ্ত পরিমাণে হাইড্রেটেড থাকা।’


পেটস্থ পেশীতে টান লাগা: উত্তোলন করা, মোচড় খাওয়া, অত্যধিক ওটা-বসা করা অথবা পেটের পেশীর ব্যায়াম ক্রাঞ্চ অনুশীলন করা এবং এমনকি কাশি বা হাঁচির কারণেও পেটের পেশীতে টান পড়তে পারে। ডা. লাইনেম বলেন, ‘পেটের পেশীতে টান লাগার সর্বাধিক কমন কারণ হচ্ছে শরীরকে অত্যধিক প্রসারিত করা অথবা অত্যধিক ব্যায়াম করা।’ তিনি যোগ করেন, ‘এটি ক্র্যাম্প বা খিঁচুনির মতো অনুভূত হয়।’ তিনি আরো বলেন, ‘টান লাগা পেশী রিকভার করার সর্বোত্তম উপায় হচ্ছে বিশ্রাম নেওয়া এবং আরামের জন্য কোল্ড প্যাক প্রয়োগ করা।’


পেলভিক ইনফ্ল্যামেটরি ডিজিজ: পেলভিক ইনফ্ল্যামেটরি ডিজিজ (পিআইডি) হচ্ছে কোনো নারীর পেলভিক অর্গানের সংক্রমণ ও প্রদাহ। জরায়ু, ফ্যালোপিয়ান টিউব বা গর্ভনালী, ডিম্বাশয় এবং সারভিক্স পেলভিক অর্গানের অন্তর্ভুক্ত। ডা. লাইনেম বলেন, ‘আপনি অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে এর চিকিৎসা করতে পারেন।’ যৌনক্রিয়ায় সক্রিয় ২৫ বছরের কম বয়সের নারীরা পিআইডির উচ্চ ঝুঁকিতে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অনুসারে, ‘প্রায়ক্ষেত্রে চিকিৎসা করা হয়নি এমন যৌনবাহিত রোগের কারণে পিআইডি হয়ে থাকে এবং আটজন নারীর মধ্যে একজনের প্রেগন্যান্ট হতে সমস্যা হয়।’ ডা. লাইনেম বলেন, ‘পিআইডি কোনো উপসর্গ প্রকাশ না করতে পারে, কিন্তু অন্যান্য ক্ষেত্রে এ রোগের কারণে পেটে বা শ্রোণীতে ব্যথা, জ্বর, যোনি থেকে তরল নির্গত, মূত্রত্যাগে ব্যথা অথবা যৌনসংগমে ব্যথা অনুভূত হতে পারে।’


গ্যাস: ঢেকুর ওঠা, পৌষ্টিকনালীতে গ্যাস জমা হওয়া, পেট ফাঁপা হওয়া এবং পেটে ব্যথা বা অস্বস্তি হওয়া হচ্ছে গ্যাসের উপসর্গ- যা হজম প্রক্রিয়ার একটি স্বাভাবিক অংশ। ডা. লাইনেম বলেন, ‘গ্যাস সাধারণত ব্যথার উদ্রেক করে না, কিন্তু এটি বিরক্তিকর ও বিব্রতকর।’ অধিকাংশ ক্ষেত্রে বাতাস গ্রহণে (চুয়িংগাম থেকে অথবা অতি দ্রুত খাওয়া বা পানের মাধ্যমে) কিংবা বৃহদান্ত্রের ব্যাকটেরিয়া কর্তৃক গ্যাসপ্রবণ খাবার ভাঙনে গ্যাস হয়ে থাকে। ডা. লাইমেন বলেন, ‘প্রায়ক্ষেত্রে গ্যাস বৃদ্ধির জন্য ডায়েট দায়ী।’ সেলিয়াক রোগ, ইরিটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম অথবা ল্যাকটোজ বা ফ্রুকটোজ ইনটলার‍্যান্সের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত লোকেরা গ্যাস অভিজ্ঞতার সম্মুখীন বেশি হয়।’


* হার্নিয়া: ডা. লাইনেম বলেন, ‘হার্নিয়ার সর্বাধিক স্পষ্ট উপসর্গ হচ্ছে আপনার পেটে স্ফীতি বা লাম্প।’ ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক অনুসারে, ‘কয়েক প্রকারের হার্নিয়া রয়েছে, কিন্তু সর্বাধিক কমন ধরনটি কুঁচকিসংক্রান্ত: এক্ষেত্রে অন্ত্র পেটের প্রাচীর বা কুঁচকি ভেদ করে বেরিয়ে পড়ে। আপনি স্ফীতি বা লাম্প পুশ করতে সক্ষম হবেন অথবা আপনি শায়িত হলে এটি অদৃশ্য হয়ে যেতে পারে, কিন্তু বিভিন্ন কার্যক্রম যেমন- কাঁদা, হাসা, কাশা অথবা শারীরিক কাজের সময় এটি বের হয়ে যেতে পারে এবং তা বেদনাদায়ক হতে পারে। আপনার হার্নিয়া থাকলে আপনি নিস্তেজ ব্যথা অনুভব করবেন এবং কোনোকিছু উত্তোলন করলে ব্যথা পাবেন। ডা. লাইনেম বলেন, ‘কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা পরিকল্পনার জন্য চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত, আপনার সার্জারি প্রয়োজন হতেও পারে নাও হতে পারে।’


আন্ত্রিক প্রতিবন্ধকতা: ডা. লাইমেন বলেন, ‘এটি আপনার ক্ষুদ্রান্ত্র বা বৃহদান্ত্রের আংশিক বা সম্পূর্ণ শারীরিক প্রতিবন্ধকতা যা হজম প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে।’ এর কমন কারণ হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু যা সার্জারি, হার্নিয়া এবং টিউমারের কারণে হয়ে থাকে। আন্ত্রিক প্রতিবন্ধকতার উপসর্গের মধ্যে আছে ব্যথা, পেটফাঁপা এবং ক্ষুধা হ্রাস। ডা. লাইমেন বলেন, ‘আন্ত্রিক প্রতিবন্ধতার উৎস ও তীব্রতার ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা রয়েছে, কিন্তু প্রতিবন্ধকতা এমনও তীব্র হতে পারে যে, যে কারণে হাসপাতালে অবস্থান করা অথবা সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে, তাই কোনো গ্যাস বা মল নির্গত না হলে অবিলম্বে মেডিক্যাল সেবা অনুসন্ধান করুন।’ যদি আপনি চিকিৎসা না করেন, আপনার অন্ত্র ছিঁড়ে যেতে পারে এবং প্রাণনাশের কারণ হতে পারে।

Comments

Popular posts from this blog

Puthia temple - Intime Alok biswas

Intime Alok Biswas

পেটের ডান পাশে ব্যথার ১০ কারণ

 পেটে গ্যাস জমেছে: আপনার পাকস্থলির অবস্থান হচ্ছে নাভির উপরে, তাই প্রায়ক্ষেত্রে গ্যাস জনিত ব্যথা পাকস্থলির অবস্থান বরাবর অথবা বামে অনুভূত হয়। কিন্তু কখনো কখনো এ ব্যথা পেটের ডানদিকে ছড়িয়ে পড়ে, বলেন ডা. ফিনকেলস্টোন। আপনি কি ডায়েটে পরিবর্তন এনেছেন? প্রচুর পরিমাণে এমন খাবার খেয়েছেন (যেমন- ব্রোকলি, ব্রাসেলস স্প্রাউটস ও ফুলকপির মতো ক্রুসিফেরাস সবজি, শিম বিচি বা বিনস) যা আপনাকে গ্যাসীয় করতে পারে? সময় পরিক্রমায় এ গ্যাস দূর হয়ে যায়। এসময় হাঁটলে উপকার পেতে পারেন। বদহজম হয়েছে: বদহজম হলে কি খেয়েছেন তা চেক করুন। বদহজমে আপনার পেটের উপরিভাগে ডানদিকে জ্বালাপোড়ার মতো ব্যথা হতে পারে। বদহজম নিজে মারাত্মক নয়- আপনি বেশি পরিমাণে ফাস্ট ফুড, অ্যালকোহল বা কফি ও টমেটোর মতো অ্যাসিডিক খাবার খেলে বদহজম হতে পারে, যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ডায়াবেটিস অ্যান্ড ডাইজেস্টিভ অ্যান্ড কিডনি ডিজিজ (এনআইডিডিকে) অনুসারে। বদহজমের ব্যথা নিজে নিজে চলে যায় এবং এ ব্যথা দু’সপ্তাহের মধ্যে ফিরে আসলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। পেশিতে টান পড়েছে: একটি কঠোর কার্ডিও সেশন আপনার পেটের ডানদিকে ব্যথার জন্য দায়ী হতে পারে: সচরাচরের চে...